Friday, September 1, 2006
ভায়াগ্রা এবং নাইট্রেটস
এফডিএ এবং ফাইজার ভায়াগ্রা সম্পর্কীয় চক্ষুজনিত যে জটিলতা তা নিয়ে গবেষণার পাশাপাশি অন্যান্য ওষুধের সঙ্গে এর সমন্বিত ক্রিয়া বিক্রিয়া নিয়েও অনেক গবেষণা চালিয়েছে। এতেই পরিলক্ষিত হয়েছে যেসকল রোগীরা কার্ডিয়াক মেডিকেশন বা হার্টের জন্য কোনো ওষুধ বিশেষত জিহ্বার নিচে প্রযোজ্য সাবলিঙ্গয়াল নাইট্রোগ্লিসারিন ট্যাবলেট, নাইট্রোগ্লিসারিন ¯েপ্র, ডাইনাইট্রেটস ইত্যাদি সেবন করছে তাদের ক্ষেত্রে ভায়াগ্রা একই সাথে সেবন করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ফাইজার কোম্পানি আরো ঘোষণা করেছে যে কোনো রোগী যদি একই সঙ্গে এই দুটো ড্রাগ সেবন করে তাহলে এক ধরনের হাইপোটেশন বা নিুরক্তচাপ দেখা দিতে পারে যাকে স্বাভাবিক রক্তচাপে ফিরিয়ে নেয়া যায় না। এ থেকে মৃত্যু হওয়া অস্বাভাবিক ব্যাপার নয়। এরকমটি ঘটে থাকে মূলত সিলডেনাফিল সাইট্রেটের অনৈচ্ছিক এবং মসৃৃণ কোষকলার ওপর রিলাক্সেশন বা শিথিলকারী প্রভাবের ফলে। অতএব একটি কথা অবশ্যই স্মরণে রাখা চাই ভায়াগ্রা এবং একই সাথে রক্ত নালি প্রসারণ কোনো ওষুধ যেমন নাইট্রোটগ্লিসারিন সেবনে রক্তচাপ বিজ্জনকভাবে অনেক কমে যেতে পারে তেমনি এটি জীবনের জন্য বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। যেসকল রোগীদের রেনাল বা বৃক্কের অসুখ অথবা হেপাটিক বা যকৃতের কার্যকারিতা ঘাটতি রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে ডোজ কমানো প্রয়োজন। যেসকল রোগীদের হেমাটোলজিক্যাল ডিসঅর্ডার বা রক্তের কোনো অসুখ রয়েছে তাদের ক্ষেত্রেও এটি সাবধানতার সাথে প্রয়োগ করতে হবে। যাদের ব্লিডিং ডিসঅর্ডার বা রক্তক্ষরণ সম্পর্কীয় অসুখ এবং পেপটিক আলসার রয়েছে তাদের বেলায়ও সিলডেনাফিল সাইট্রেট সতর্কতা অবলম্বন করে প্রয়োগ করা উচিত।
Wednesday, March 1, 2006
অনুত্তেজক নারী
অনুত্তেজক-১
অনেক নারীই অনেক সময় চরম উত্তেজনায় পৌছাঁতে ব্যর্থ হয়। মানসিক নানা কারণে হয়তো নারী অনুত্তেজক হতে পারে, কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে শারীরিক কিছু কিছু কারণও বিদ্যমান থাকে। যৌনাঙ্গের নানা সমস্যার জন্যও হয়তো নারী উত্তেজনা হারায়। অনেক সময় দেখা যায় যে পুরুষের শারীরিক অনাকর্ষণ, অর্থের অসচ্ছলতা ইত্যাদি নানা কারণে নারী পুরুষের সাথে যৌন সম্পর্কে স্থাপন সত্ত্বেও উত্তেজনাবোধ করে না। এটি সমীক্ষায় দেখা হয়েছে কেন নারী উত্তেজনা হারায় কোন কোন কারণ
ক. যৌনতার বেদনাদায়ক ২০.৩% নারী মনে করে
খ. যৌনতা জঘন্য ১৭.৭% নারী মনে করে
গ. স্বামী অক্ষম ১১.৭% নারী মনে করে
ঘ. গর্ভবতী হবার ভয় ১০.২% নারী মনে করে
ঙ. অজ্ঞতা, যৌনির সমস্যা কিংবা সমকামিতা ৪০% নারী মনে করে।
অনুত্তেজক নারী-২
১। উত্তেজনা বাড়ানোর কৌশল
ক. পুরুষের উচিত নারীকে নানা কৌশলে উত্তেজিত করা। যেমন পুরুষ নারীর স্তন এবং
স্তনবৃন্ত স্পর্শ করতে পারে, মর্দন করতে পারে। এতে করে নারী উত্তেজিত হতে থাকবে।
খ. সেক্সুয়াল ফ্যান্টাসির দ্বারা নারীকে উত্তেজিত করা যেতে পারে। যেমন যৌন সাহিত্য পাঠ, যৌনমিলনের দৃশ্য সমৃদ্ধ ছবি এবং বই পড়া ইত্যাদি।
গ. হস্তমৈথুন হাতের সাহায্যে বা ভাইব্রেটরের সাহায্যে। এছাড়াও পুরুষ মুখের সাহায্যে নারীর ভগাংকুর এবং যৌনি স্পর্শ করলে নারী উত্তেজিত হতে পারে ।
থেরাপি
ক. দম্পতি নগ্ন হয়ে বিছানায় বসবে । পুরুষ দু’পা ফাঁক করে নারীকে কোলে নিয়ে বসবে। পুরুষ নারীর যোনিতে আলতো ছঁয়ে যাবে।
খ. নারী পুরুষের উপরে বসবে এবং যোনিতে লিঙ্গ প্রবেশের পর মৃদু নাড়াচাড়া করবে। লক্ষ্য রাখতে হবে নাড়াচাড়া যেন জোড়ে না হয়।
গ. নারীর উপরে এই আসনটি সঠিক প্রয়োগে নারীর উত্তেজনা অপেক্ষাকৃত বাড়াতে পারে।
অনেক নারীই অনেক সময় চরম উত্তেজনায় পৌছাঁতে ব্যর্থ হয়। মানসিক নানা কারণে হয়তো নারী অনুত্তেজক হতে পারে, কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে শারীরিক কিছু কিছু কারণও বিদ্যমান থাকে। যৌনাঙ্গের নানা সমস্যার জন্যও হয়তো নারী উত্তেজনা হারায়। অনেক সময় দেখা যায় যে পুরুষের শারীরিক অনাকর্ষণ, অর্থের অসচ্ছলতা ইত্যাদি নানা কারণে নারী পুরুষের সাথে যৌন সম্পর্কে স্থাপন সত্ত্বেও উত্তেজনাবোধ করে না। এটি সমীক্ষায় দেখা হয়েছে কেন নারী উত্তেজনা হারায় কোন কোন কারণ
ক. যৌনতার বেদনাদায়ক ২০.৩% নারী মনে করে
খ. যৌনতা জঘন্য ১৭.৭% নারী মনে করে
গ. স্বামী অক্ষম ১১.৭% নারী মনে করে
ঘ. গর্ভবতী হবার ভয় ১০.২% নারী মনে করে
ঙ. অজ্ঞতা, যৌনির সমস্যা কিংবা সমকামিতা ৪০% নারী মনে করে।
অনুত্তেজক নারী-২
১। উত্তেজনা বাড়ানোর কৌশল
ক. পুরুষের উচিত নারীকে নানা কৌশলে উত্তেজিত করা। যেমন পুরুষ নারীর স্তন এবং
স্তনবৃন্ত স্পর্শ করতে পারে, মর্দন করতে পারে। এতে করে নারী উত্তেজিত হতে থাকবে।
খ. সেক্সুয়াল ফ্যান্টাসির দ্বারা নারীকে উত্তেজিত করা যেতে পারে। যেমন যৌন সাহিত্য পাঠ, যৌনমিলনের দৃশ্য সমৃদ্ধ ছবি এবং বই পড়া ইত্যাদি।
গ. হস্তমৈথুন হাতের সাহায্যে বা ভাইব্রেটরের সাহায্যে। এছাড়াও পুরুষ মুখের সাহায্যে নারীর ভগাংকুর এবং যৌনি স্পর্শ করলে নারী উত্তেজিত হতে পারে ।
থেরাপি
ক. দম্পতি নগ্ন হয়ে বিছানায় বসবে । পুরুষ দু’পা ফাঁক করে নারীকে কোলে নিয়ে বসবে। পুরুষ নারীর যোনিতে আলতো ছঁয়ে যাবে।
খ. নারী পুরুষের উপরে বসবে এবং যোনিতে লিঙ্গ প্রবেশের পর মৃদু নাড়াচাড়া করবে। লক্ষ্য রাখতে হবে নাড়াচাড়া যেন জোড়ে না হয়।
গ. নারীর উপরে এই আসনটি সঠিক প্রয়োগে নারীর উত্তেজনা অপেক্ষাকৃত বাড়াতে পারে।
Monday, February 27, 2006
ব্যথাযুক্ত যৌনমিলন
ব্যথাযুক্ত যৌনমিলন-১
পুরুষ অথবা নারী যে কেউ যৌনমিলনের সময় ব্যথা পেতে পারে। বিভিন্ন সমস্যা থেকে এই ব্যথার উৎপত্তি হতে পারে। পুরুষের ক্ষেত্রে লিঙ্গের মাথায় গভীর ব্যথা প্রোস্টেট গ্ল্যান্ডের সমস্যার জন্য হয়ে থাকে । অনেক সমসয় লিঙ্গ জ্বালা যন্ত্রণরি জন্য ব্লাডার প্রোস্টেট অথবা সেমিনল কোষ দায়ী । আবার অন্য দিকে নারীর ভগাংকুরে মৃদু ব্যথা হতে পারে। এমনকি যোনিতে ফোসকুড়ি বা ঘামাচির মতো দানা উঠতে থাকে। তবে মনে রাখা উচিত গভীর ব্যথার জন্য শরীরের ভেতরকার নানা অঙ্গের সমস্যাও জড়িয়ে থাকতে পারে। সাধারণ কারণ হিসেবে ইনফেকশন দায়ী হয় প্রায় সবক্ষেত্রেই । অনেক সময় যোনির ডাউচিং এর জন্য জীবানু যোনিতে জন্মাতে পারে এবং যৌনমিলনের সময় ব্যথার সৃষ্টি হতে পারে।
অনেক সময় সমস্যা বুঝে ব্যবস্থা দিয়ে থাকেন ডাক্তাররা । এন্টিবায়োটিক হরমোনাল, ওষুধ সার্জারি ইত্যাদি নানা উপায়ে ব্যথাযুক্ত যৌনমিলনকে সুসংহত করায়।
পুরুষের ব্যথা
ক. সেমিনাল কোষঃ ইনফেকশন
খ. প্রেস্টেটঃবড় হয়ে যাওয়া এবং ইনফেকশন
গ. ব্লাডারঃ ইনফেকশন
ঘ. অন্ডথলির প্ররম্বিত উত্তান বীর্যপাত ছাড়াই
ঙ. লিঙ্গের রক্তনালীঃ জীবাণুর আক্রমনে ব্যথা
চ. লিঙ্গের শক্ত হওয়াঃ ব্যথাযুক্ত উত্থান ইত্যাদি।
নারীর যৌনমিলনকালীন ব্যথা
নারীর ক্ষেত্রে নিুচাপ অবস্থার সৃষ্টি হয়
ক. ভগাঙ্করঃ পুরুষ যখন ভগাঙ্কর সরাসরি স্পর্শ করে তখন ব্যথা হয়
খ. যোনির বাইরের অংশঃ প্রথম যৌনমিলনের চাপের ফলে ব্যথা হয়
গ. ডিম্বাশয়ঃ বড় হয়ে যাওয়া
ঘ. যোনিঃ পিচ্ছিলতার অভাবে ব্যথা হয় এবং এস্ট্রোজেনের কমতির কারনে ইনফেকশনে।
ঙ. জরায়ুঃ বড় হয়ে যাওয়া ইত্যাদি
পুরুষ অথবা নারী যে কেউ যৌনমিলনের সময় ব্যথা পেতে পারে। বিভিন্ন সমস্যা থেকে এই ব্যথার উৎপত্তি হতে পারে। পুরুষের ক্ষেত্রে লিঙ্গের মাথায় গভীর ব্যথা প্রোস্টেট গ্ল্যান্ডের সমস্যার জন্য হয়ে থাকে । অনেক সমসয় লিঙ্গ জ্বালা যন্ত্রণরি জন্য ব্লাডার প্রোস্টেট অথবা সেমিনল কোষ দায়ী । আবার অন্য দিকে নারীর ভগাংকুরে মৃদু ব্যথা হতে পারে। এমনকি যোনিতে ফোসকুড়ি বা ঘামাচির মতো দানা উঠতে থাকে। তবে মনে রাখা উচিত গভীর ব্যথার জন্য শরীরের ভেতরকার নানা অঙ্গের সমস্যাও জড়িয়ে থাকতে পারে। সাধারণ কারণ হিসেবে ইনফেকশন দায়ী হয় প্রায় সবক্ষেত্রেই । অনেক সময় যোনির ডাউচিং এর জন্য জীবানু যোনিতে জন্মাতে পারে এবং যৌনমিলনের সময় ব্যথার সৃষ্টি হতে পারে।
অনেক সময় সমস্যা বুঝে ব্যবস্থা দিয়ে থাকেন ডাক্তাররা । এন্টিবায়োটিক হরমোনাল, ওষুধ সার্জারি ইত্যাদি নানা উপায়ে ব্যথাযুক্ত যৌনমিলনকে সুসংহত করায়।
পুরুষের ব্যথা
ক. সেমিনাল কোষঃ ইনফেকশন
খ. প্রেস্টেটঃবড় হয়ে যাওয়া এবং ইনফেকশন
গ. ব্লাডারঃ ইনফেকশন
ঘ. অন্ডথলির প্ররম্বিত উত্তান বীর্যপাত ছাড়াই
ঙ. লিঙ্গের রক্তনালীঃ জীবাণুর আক্রমনে ব্যথা
চ. লিঙ্গের শক্ত হওয়াঃ ব্যথাযুক্ত উত্থান ইত্যাদি।
নারীর যৌনমিলনকালীন ব্যথা
নারীর ক্ষেত্রে নিুচাপ অবস্থার সৃষ্টি হয়
ক. ভগাঙ্করঃ পুরুষ যখন ভগাঙ্কর সরাসরি স্পর্শ করে তখন ব্যথা হয়
খ. যোনির বাইরের অংশঃ প্রথম যৌনমিলনের চাপের ফলে ব্যথা হয়
গ. ডিম্বাশয়ঃ বড় হয়ে যাওয়া
ঘ. যোনিঃ পিচ্ছিলতার অভাবে ব্যথা হয় এবং এস্ট্রোজেনের কমতির কারনে ইনফেকশনে।
ঙ. জরায়ুঃ বড় হয়ে যাওয়া ইত্যাদি
যৌন ইনফেকশন
যৌন সমস্যা এবং প্রতিরোধ-১
সাদারণত যৌন ইনফেশনের জন্য যৌন সংসর্গ দায়ী । মুখে ও যৌনাঙ্গে বা শরীরের স্পর্শকাতর কোথাও যৌন সংক্রামক ব্যাধি থেকে থাকলে তা অপরজনকে ইনফেকটেড করতে পারে। সাধারন পাচঁটি যৌন অসুখ পৃথিবীব্যাপী দেখতে পাওয়া যায়। তার মধ্যে সিফিলিস এবং গনোরিয়া প্রধান। এছাড়াও শাংক্রয়েড, লিম্ফগ্রানুলোমা বেনেরাস এবং গ্রানুলোমা ইনজিনুওয়াল অপর কিছু যৌন রোগ। অধিকাংশ ক্ষেত্রে নারীর চেয়ে পুরুষেরা অধিকমাত্রায় যৌন রোগে ভুগে । এগুলো পুরুষের সমকামিতা এবং পতিতা সহবাসের জন্য হয়ে থাকে । তবে এই অসুখগুলো যৌন জীবনের জন্য খুবই ঝুকিঁপূর্ণ। আধুনিক নানা ওষুধ বিভিন্ন যৌন রোগকে প্রতিহত করতে পারে। আবার অনেক সময় উপসর্গহীন নানা যৌন রোগও হয়ে থাকে যার ফলে ডাক্তারদের রোগ নিরুপন করতে এবং ওষুধের সন্ধান বাতলে দিতে অসুবিধা হয় না।
যৌন সমস্যা এবং প্রতিকার ২
চিহ্ন এবং উপসর্গ
যৌন অঞ্চলের চিহ্ন এবং উপসর্গ
ক. লিঙ্গে, যোনিতে এবং ভালভাতে র্যাশ
খ. পায়ুর কাছাকাছি র্যাশ
গ. কুচুঁকিতে র্যাশ
ঘ. প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া
ঙ. যোনি অথবা লিঙ্গের মাথায় ঘামাচির দানা
চ. যৌনমিলনে ব্যথা
ছ. যৌনি এবং লিঙ্গের অস্বাভাবিক সমস্যা
জ. প্রস্রাবের সমস্যা
অন্যান্য স্থানের চিহ্ন এবং উপসর্গ
১. দ্রুত চুল হারানো
২. চোখে ইনফেকশন
৩. ঠোঁটে অস্বাভাবিক দানা অথবা র্যাশ
৪. শরীরে র্যাশ
৫. চামড়ার ফুসকুড়ি
৬. হাতে এবং হাতের আঙ্গুলে র্যাশ
প্রতিকার
নিুর বণর্নাগুলো ঝুকিঁ কমাতে পারে-
১. প্রত্যেহ যৌনাঙ্গ ধোয়
২. প্রতিদিন আন্ডারওয়্যার পরির্বতন করা। নাইলনের আন্ডারওয়্যার না পরা ।
৩. রাসায়নিক পর্দাথে যৌনাঙ্গ ধোয়া
৪. সামনের দিক থেকে পেছনের দিক মোছা (নারীদের ক্ষেত্রে )
৫. ইনফেকশনহীন যৌনসঙ্গীর সাথে সহবাস করা
৬. নতুন সঙ্গীর সাথে ৬ সপ্তাহ পরে যৌনমিলনে কোনো সমস্যা আছে কি না তার পরীক্ষা করা।
৭. নতুন সঙ্গীর যৌনাঙ্গে সমস্যা থাকলে তার সাথে পরবর্তীতে যৌনমিলন না ঘটানো।
৮. যৌনমিলনের সময় কনডমের ব্যবহার
৯. যৌনমিলনের আগে এবং পরে যৌনাঙ্গ ধুয়ে ফেলা
১০. যৌমিলনের পরে প্রস্রাব করা।
সাদারণত যৌন ইনফেশনের জন্য যৌন সংসর্গ দায়ী । মুখে ও যৌনাঙ্গে বা শরীরের স্পর্শকাতর কোথাও যৌন সংক্রামক ব্যাধি থেকে থাকলে তা অপরজনকে ইনফেকটেড করতে পারে। সাধারন পাচঁটি যৌন অসুখ পৃথিবীব্যাপী দেখতে পাওয়া যায়। তার মধ্যে সিফিলিস এবং গনোরিয়া প্রধান। এছাড়াও শাংক্রয়েড, লিম্ফগ্রানুলোমা বেনেরাস এবং গ্রানুলোমা ইনজিনুওয়াল অপর কিছু যৌন রোগ। অধিকাংশ ক্ষেত্রে নারীর চেয়ে পুরুষেরা অধিকমাত্রায় যৌন রোগে ভুগে । এগুলো পুরুষের সমকামিতা এবং পতিতা সহবাসের জন্য হয়ে থাকে । তবে এই অসুখগুলো যৌন জীবনের জন্য খুবই ঝুকিঁপূর্ণ। আধুনিক নানা ওষুধ বিভিন্ন যৌন রোগকে প্রতিহত করতে পারে। আবার অনেক সময় উপসর্গহীন নানা যৌন রোগও হয়ে থাকে যার ফলে ডাক্তারদের রোগ নিরুপন করতে এবং ওষুধের সন্ধান বাতলে দিতে অসুবিধা হয় না।
যৌন সমস্যা এবং প্রতিকার ২
চিহ্ন এবং উপসর্গ
যৌন অঞ্চলের চিহ্ন এবং উপসর্গ
ক. লিঙ্গে, যোনিতে এবং ভালভাতে র্যাশ
খ. পায়ুর কাছাকাছি র্যাশ
গ. কুচুঁকিতে র্যাশ
ঘ. প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া
ঙ. যোনি অথবা লিঙ্গের মাথায় ঘামাচির দানা
চ. যৌনমিলনে ব্যথা
ছ. যৌনি এবং লিঙ্গের অস্বাভাবিক সমস্যা
জ. প্রস্রাবের সমস্যা
অন্যান্য স্থানের চিহ্ন এবং উপসর্গ
১. দ্রুত চুল হারানো
২. চোখে ইনফেকশন
৩. ঠোঁটে অস্বাভাবিক দানা অথবা র্যাশ
৪. শরীরে র্যাশ
৫. চামড়ার ফুসকুড়ি
৬. হাতে এবং হাতের আঙ্গুলে র্যাশ
প্রতিকার
নিুর বণর্নাগুলো ঝুকিঁ কমাতে পারে-
১. প্রত্যেহ যৌনাঙ্গ ধোয়
২. প্রতিদিন আন্ডারওয়্যার পরির্বতন করা। নাইলনের আন্ডারওয়্যার না পরা ।
৩. রাসায়নিক পর্দাথে যৌনাঙ্গ ধোয়া
৪. সামনের দিক থেকে পেছনের দিক মোছা (নারীদের ক্ষেত্রে )
৫. ইনফেকশনহীন যৌনসঙ্গীর সাথে সহবাস করা
৬. নতুন সঙ্গীর সাথে ৬ সপ্তাহ পরে যৌনমিলনে কোনো সমস্যা আছে কি না তার পরীক্ষা করা।
৭. নতুন সঙ্গীর যৌনাঙ্গে সমস্যা থাকলে তার সাথে পরবর্তীতে যৌনমিলন না ঘটানো।
৮. যৌনমিলনের সময় কনডমের ব্যবহার
৯. যৌনমিলনের আগে এবং পরে যৌনাঙ্গ ধুয়ে ফেলা
১০. যৌমিলনের পরে প্রস্রাব করা।
Sunday, February 26, 2006
সিফিলিস
সিফিলিস -১
সিফিলিস মারাক্তক এটি যৌনরোগ । এর ফলে অন্ধত্ব প্যারালাইসিস এবং মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। অধিকাংশ সময় সিফিলিস পুরুস লিঙ্গ্, যোনির মাধ্যমে ছড়ায়। কোনো কোনো সময় এটি মুখ বা মলাশয়ের মাধ্যমেও ছড়াতে পারে। সাধারণত ডায়াগনোসিস ধরা পড়ার পরই কেবল সিফিলিস চিকিৎসা শুরু করা যেতে পারে। কেননা অনেক সময় উপসর্গহীন সিফিলিস হতে পারে। পেনিসিলিন ইনজেকশন বা অন্যান্য এন্টিবায়োটিক হলো প্রধান চিকিৎসা ।
সিফিলিস -২
ক. প্রথম স্তরের সিফিলিস
১০ থেকে ৮০ দিনের মধ্যে ব্যথাহীন র্যাশ। যৌনাঙ্গ ছাড়াও এটি পায়ুর কাছে, ঠোঁটে এবং স্তনবৃন্তে হতে পারে। সাদা সাদা অংশগুলো ৪ থেকে ১০ সপ্তাহের মধ্যে অধিকমাত্রায় পরিস্কার হতে থাকে।
খ. দ্বিতীয় স্তরের সিফিলিস
৬ সপ্তাহ থেকে তিন মাসের মধ্যে চুল পড়ে যাওয়া প্রচন্ড মাথাব্যথা, গলার ভেতর শুকিয়ে যাওয়া সামান্য জ্বর ইত্যাদি হতে পারে।
গ. এটি সবচেয়ে মারাক্তর স্তর । কেননা এই সময়ে হৃদপিন্ড, রক্তনালী, মস্তিক স্পাইনাল কর্ড ইত্যাদি আক্রান্ত হয়ে যায়।
গনোরিয়া -১
এটি একটি যৌনবাহিত রোগ । সারা বছরে প্রায় ২০০ মিলিয়ন গনোরিয়া রোগী পাওয়া যায়। এটি মারাক্তক হয়ে দাড়ায় কোনো কোনো সময় নারীদের জন্য । এক ধরণের মেইসেরিয়া গনোরিয়া ব্যাকটিরিয়ার আক্রমণে এই রোগ হয়ে থাকে। এটি শরীরের স্পর্শ বিশেষ করে যৌনাঙ্গের সাথে যৌনাঙ্গের স্পর্শে বেশি মাত্রায় ছড়িয়ে পড়ে। ওরাল এবং এনাল যৌনমিলনের ফলে এটি আরো ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়তে পারে। ১৫-২৪ বয়সী পুরুষের এই রোগ হবার সম্ভবনা থাকে সবচেয়ে বেশি । অনেক পুরুষের চেয়ে নারীর দৃশ্যমান ইনফেকশন থাকে। পুরুষের প্রথম উপসর্গ হলো প্রস্রাবের জ্বালাযন্ত্রণা হওয়া। ইনফেকশন কমানো না গেলে এই রোগ যৌনাঙ্গ সম্পর্কে শিথিল করে ফেলে । দীর্ঘসময়ের ইনফেকশনের জন্য মস্তিক ত্বক এবং হাড়ের জোড়ায় সমস্যা হতে পারে। তবে প্রাথমিক অবস্থাতেই গনোরিয়ার চিকিৎসা করা হলে ভবিষ্যতে এটির বিস্তার আর হবে না। এমনটি নিশ্চিত বলা যায়।
সিফিলিস মারাক্তক এটি যৌনরোগ । এর ফলে অন্ধত্ব প্যারালাইসিস এবং মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। অধিকাংশ সময় সিফিলিস পুরুস লিঙ্গ্, যোনির মাধ্যমে ছড়ায়। কোনো কোনো সময় এটি মুখ বা মলাশয়ের মাধ্যমেও ছড়াতে পারে। সাধারণত ডায়াগনোসিস ধরা পড়ার পরই কেবল সিফিলিস চিকিৎসা শুরু করা যেতে পারে। কেননা অনেক সময় উপসর্গহীন সিফিলিস হতে পারে। পেনিসিলিন ইনজেকশন বা অন্যান্য এন্টিবায়োটিক হলো প্রধান চিকিৎসা ।
সিফিলিস -২
ক. প্রথম স্তরের সিফিলিস
১০ থেকে ৮০ দিনের মধ্যে ব্যথাহীন র্যাশ। যৌনাঙ্গ ছাড়াও এটি পায়ুর কাছে, ঠোঁটে এবং স্তনবৃন্তে হতে পারে। সাদা সাদা অংশগুলো ৪ থেকে ১০ সপ্তাহের মধ্যে অধিকমাত্রায় পরিস্কার হতে থাকে।
খ. দ্বিতীয় স্তরের সিফিলিস
৬ সপ্তাহ থেকে তিন মাসের মধ্যে চুল পড়ে যাওয়া প্রচন্ড মাথাব্যথা, গলার ভেতর শুকিয়ে যাওয়া সামান্য জ্বর ইত্যাদি হতে পারে।
গ. এটি সবচেয়ে মারাক্তর স্তর । কেননা এই সময়ে হৃদপিন্ড, রক্তনালী, মস্তিক স্পাইনাল কর্ড ইত্যাদি আক্রান্ত হয়ে যায়।
গনোরিয়া -১
এটি একটি যৌনবাহিত রোগ । সারা বছরে প্রায় ২০০ মিলিয়ন গনোরিয়া রোগী পাওয়া যায়। এটি মারাক্তক হয়ে দাড়ায় কোনো কোনো সময় নারীদের জন্য । এক ধরণের মেইসেরিয়া গনোরিয়া ব্যাকটিরিয়ার আক্রমণে এই রোগ হয়ে থাকে। এটি শরীরের স্পর্শ বিশেষ করে যৌনাঙ্গের সাথে যৌনাঙ্গের স্পর্শে বেশি মাত্রায় ছড়িয়ে পড়ে। ওরাল এবং এনাল যৌনমিলনের ফলে এটি আরো ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়তে পারে। ১৫-২৪ বয়সী পুরুষের এই রোগ হবার সম্ভবনা থাকে সবচেয়ে বেশি । অনেক পুরুষের চেয়ে নারীর দৃশ্যমান ইনফেকশন থাকে। পুরুষের প্রথম উপসর্গ হলো প্রস্রাবের জ্বালাযন্ত্রণা হওয়া। ইনফেকশন কমানো না গেলে এই রোগ যৌনাঙ্গ সম্পর্কে শিথিল করে ফেলে । দীর্ঘসময়ের ইনফেকশনের জন্য মস্তিক ত্বক এবং হাড়ের জোড়ায় সমস্যা হতে পারে। তবে প্রাথমিক অবস্থাতেই গনোরিয়ার চিকিৎসা করা হলে ভবিষ্যতে এটির বিস্তার আর হবে না। এমনটি নিশ্চিত বলা যায়।
Friday, February 24, 2006
গনোরিয়া
গনোরিয়া
পুরুষের গনোরিয়া
ক. প্রস্রাবের সমস্যা এবং মূত্রথলি বড় হয়ে যাওয়া
খ. কিডনি ব্লাডস
গ. এপিডাইমিডিসের বৃদ্ধি
ঘ. অন্ডথলিতে ব্যথা
ঙ. সমকামীদের পায়ুপথে তীব্র ব্যথা
চ. ওরাল সেক্সের জন্য মুখে আলসার
ছ. আর্থ্রাটিসের প্রকোপ
জ. মেনিনজাইটিস
ঝ. অবশেষে হার্টের অসুখ ইত্যাদি।
নারীদের গনোরিয়া
ক. লাল, হলুদ অথবা সাদা র্যাস যৌনাঙ্গে
খ.প্রস্রাবের অসুবিধা
গ. যোনি বড় হয়ে ফুলে যাওয়া
ঘ. ফ্যালোপিয়ান টিউব বড় হয়ে যাওয়া
ঙ. তলপেটে চিনচিন ব্যথা
চ. পায়ুপথে ইনফেকশন ইত্যাদি।
পুরুষের গনোরিয়া
ক. প্রস্রাবের সমস্যা এবং মূত্রথলি বড় হয়ে যাওয়া
খ. কিডনি ব্লাডস
গ. এপিডাইমিডিসের বৃদ্ধি
ঘ. অন্ডথলিতে ব্যথা
ঙ. সমকামীদের পায়ুপথে তীব্র ব্যথা
চ. ওরাল সেক্সের জন্য মুখে আলসার
ছ. আর্থ্রাটিসের প্রকোপ
জ. মেনিনজাইটিস
ঝ. অবশেষে হার্টের অসুখ ইত্যাদি।
নারীদের গনোরিয়া
ক. লাল, হলুদ অথবা সাদা র্যাস যৌনাঙ্গে
খ.প্রস্রাবের অসুবিধা
গ. যোনি বড় হয়ে ফুলে যাওয়া
ঘ. ফ্যালোপিয়ান টিউব বড় হয়ে যাওয়া
ঙ. তলপেটে চিনচিন ব্যথা
চ. পায়ুপথে ইনফেকশন ইত্যাদি।
Thursday, February 23, 2006
অন্যান্য ইনফেকশন
অন্যান্য ইনফেকশন
আরো কিছু যৌন সংক্রামণ রোগের ইনফেকশন শরীরে ছড়াতে পারে।
গ্রানুলোমা ইনডিজুয়াল
দুই মাসের মাথায় আক্রান্ত পুরুষ বা নারীর যৌনাঙ্গে লাল ব্যথাহীন ফুসকুড়ি ওঠে। এটি ধীরে ধীরে আলসারের রুপ করে এবং সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়তে থাকে। লিঙ্গের টিস্যুগুলো এতে দুর্বল ও শিথিল হয়ে পড়তে থাকে। অনেক সময়ই এগুলোর সঠিক উপসর্গ নাও থাকতে পারে।
নিফোগ্রানুলোমা ভেনেরাম
এক প্রকার ব্যাকটিরিয়ার আক্রমণে এই রোগ হয়। ৫ থেকে ২১ দিনের মধ্যে ব্যথাহীন কিছুর্যাশ যৌনাঙ্গ এবং এর কাছাকাছি স্থানে ছড়িয়ে পড়ে। প্রচন্ড মাথাব্যথা, কুচঁকিতে ব্যথাহীন দানা, হাড়ের জোড়ায় ব্যথা ইত্যাদি উপসর্গদেখা দিতে পারে।
শ্যাংক্রয়েড
হেমোফিলিয়াস ব্যাকটিরিয়ার জন্য শ্যাংক্রয়েড হতে পারে। এটি হলো পুরুষ অথবা নারীর যৌনাঙ্গে ব্যথাযুক্ত আলসারের সৃষ্টি। সাধারণত সালফোনামাইড ওষুধ ডাক্তাররা এজন্য দিয়ে থাকে।
আরো কিছু যৌন সংক্রামণ রোগের ইনফেকশন শরীরে ছড়াতে পারে।
গ্রানুলোমা ইনডিজুয়াল
দুই মাসের মাথায় আক্রান্ত পুরুষ বা নারীর যৌনাঙ্গে লাল ব্যথাহীন ফুসকুড়ি ওঠে। এটি ধীরে ধীরে আলসারের রুপ করে এবং সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়তে থাকে। লিঙ্গের টিস্যুগুলো এতে দুর্বল ও শিথিল হয়ে পড়তে থাকে। অনেক সময়ই এগুলোর সঠিক উপসর্গ নাও থাকতে পারে।
নিফোগ্রানুলোমা ভেনেরাম
এক প্রকার ব্যাকটিরিয়ার আক্রমণে এই রোগ হয়। ৫ থেকে ২১ দিনের মধ্যে ব্যথাহীন কিছুর্যাশ যৌনাঙ্গ এবং এর কাছাকাছি স্থানে ছড়িয়ে পড়ে। প্রচন্ড মাথাব্যথা, কুচঁকিতে ব্যথাহীন দানা, হাড়ের জোড়ায় ব্যথা ইত্যাদি উপসর্গদেখা দিতে পারে।
শ্যাংক্রয়েড
হেমোফিলিয়াস ব্যাকটিরিয়ার জন্য শ্যাংক্রয়েড হতে পারে। এটি হলো পুরুষ অথবা নারীর যৌনাঙ্গে ব্যথাযুক্ত আলসারের সৃষ্টি। সাধারণত সালফোনামাইড ওষুধ ডাক্তাররা এজন্য দিয়ে থাকে।
Subscribe to:
Posts (Atom)